• ৪ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Compensation

রাজ্য

মৃত্যুর ছায়া এসআইআর প্রক্রিয়ায়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চাকরি দিতে এগোল রাজ্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া বা এসআইআর ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্ন-এ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঠিক হয়েছে, এই প্রক্রিয়ার জেরে মৃত বা চরম হয়রানির শিকার পরিবারগুলির একজন সদস্যকে চাকরি দেওয়া হবে।এসআইআর ঘিরে বিতর্ক শুরু হয় একটি আত্মহত্যার ঘটনার পর। পরে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬। কেউ আত্মহত্যা করেছেন, আবার কারও স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও পরিবারের অভিযোগ, এসআইআর-জনিত আতঙ্কই এর মূল কারণ। শাসকদলও একাধিক ক্ষেত্রে একই অভিযোগ তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।সূত্রের খবর, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির একজন সদস্যকে হোম গার্ড পদে নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই জেলা ভিত্তিক তালিকা তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শুধু মৃতদের পরিবার নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ণ ও হয়রানির অভিযোগ থাকা আরও পাঁচটি পরিবারকেও এই তালিকায় রাখা হয়েছে। সেই পরিবারগুলির একজন সদস্যও চাকরি পাবেন বলে জানা গিয়েছে।তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এই চাকরির স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। হোম গার্ড পদে কম বেতন, পেনশন ও গ্র্যাচ্যুইটির অভাবের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, প্রতিবছর চাকরি নবীকরণ করতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে নবীকরণ না হওয়ায় বহু কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ক্ষেত্রেও এমন উদাহরণ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজনীতি

Mamata-DVC: সব টাকা জলে, ডিভিসি-র কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হতে পারে: মমতা

বাংলার বানভাসি অবস্থার জন্য ম্যান মেড তত্ত্ব আগেই খাড়া করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার, ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টিকেও দায়ী করেছেন বাংলার বন্যা পরিস্থিতির জন্য। আর এবার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ফের ডিভিসির বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগলেন তিনি। পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝালেন ঠিক কত কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। এই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি-র কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে বলেও উল্লেখ করলেন মমতা। এ দিন আরামবাগে গিয়ে তিনি বলেন, ডিভিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এ দিন হেলিকপ্টারে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন মমতা। আরামবাগে নেমে এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।এদিন মমতা আরামবাগে দাঁড়িয়ে বলেন, ডিভিসি আর ঝাড়খণ্ডের জন্যই বাংলায় এই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ডিভিসি যদি বছরে চারবার এভাবে জল ছাড়ে, তাহলে বহু মানুষের ক্ষতি হয়। সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, যে এলাকায় ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেখানে মানুষ সারাতে না সারাতেই আবার ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এবারের বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ লক্ষ বাড়ি। ৪ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ দিন পরিদর্শন সেরে নবান্নে ফিরে তিনি বৈঠক করবেন আধিকারিকদের সঙ্গে। নবান্ন থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে বলেও জানান তিনি।তবে, মমতার এই ক্ষতিপূরণের মানুষের জন্য চাইছেন নাকি দলের জন্য? সেই প্রশ্নই তুলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, যে মানুষগুলোর ক্ষতি হয়েছে তাঁদের জন্য ক্ষতিপূরণের কথা ভাবছেন নাকি ওই টাকা আম্ফানের মতো কাটমানি হিসেবে নেবে তৃণমূল নেতারা? তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি বেশি হলে জল ছাড়তে হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ভৌগলিক নিয়মেই ঝাড়খণ্ডের জল বাংলায় চলে আসে। কিন্তু, গত কয়েক বছরে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির জন্য উনি কী করেছেন?

অক্টোবর ০২, ২০২১
কলকাতা

Gyaneswari Incident: 'মৃত' ব্যক্তিকে আটক করল সিবিআই

জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তি আচমকাই জীবিত হয়ে উঠলেন। শুধুই বেঁচে ওঠেননি। একই সঙ্গে সরকারি ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরিও ভোগ করছিলেন এতদিনে। কিন্তু জালিয়াতি বেশিদিন চালানো গেল না। শনিবার কলকাতার জোড়াবাগান এলাকা থেকে ভুয়ো নথি, ডিএনএ রিপোর্ট ও ডেথ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম অমিতাভ চৌধুরী। আটক করা হয়েছে অভিযুক্তের বাবাকেও।২০১০ সালের ২৮ মে জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় প্রায় ১৫০ জনের। মৃতদের পরিবারে জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরির ঘোষণা করে রেল। তবে নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়, ক্ষতিপূরণের জন্য মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর শংসাপত্র জমা করতে হবে। একই সঙ্গে মৃত ব্যক্তির ডিএনএ-র নমুনা মিলবে এমন কোনও পরিবারের ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, এই ডেথ সার্টিফিকেট এবং এবং ডিএনএ রিপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেই কারচুপি করেছিলেন অভিযুক্ত অমিতাভ।জীবিত মানুষকেই কাগজপত্রের মাধ্যমে মৃত ঘোষণা করে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরি বাগিয়ে নেওয়া হয়। নথিতে মৃত অমিতাভ চৌধুরীর বোন রেলের একটি উর্ধ্বতন পদে সেই চাকরি পান। সেই ঘটনার প্রায় ১০ বছর পর রেলের অভ্যন্তরীণ অডিটে এই বেআইনি কার্যকলাপ ধরা পড়ে। অভিযোগ দায়ের করা হয় সিবিআই-এর দুর্নীতিদমন শাখায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শুক্রবার রাতে জোড়াবাগান থাকা এলাকায় অভিতাভ চৌধুরীর বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। এরপর গতকাল রাতেই অমিতাভ চক্রবর্তী এবং তাঁর বাবাকে আটক করে সিবিআই। বর্তমানে তাঁদের নিজামে প্যালেসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, এর পিছনে একটি বড় চক্র কাজ করতে পারে। এই ধরনের ভুয়ো নথি জমা পড়লে সাধারণত গোড়াতেই তদন্তের সময় ধরা পড়ে। তাহলে কেন আগে এদের ধরা গেল না? তবে কি রেলের কোনও আধিকারিকও গোটা ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে? আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না সিবিআই।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

বিস্ফোরণস্থলে বিজেপির প্রতিনিধিদলকে ঢুকতে বাধা পুলিশের

সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার তদন্তে নামল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করেন, ঘটনাস্থলের ছবি তোলেন। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের যাওয়ার কথা থাকলেও, এদিন যাননি তাঁরা। এনআইএ এখনও সেখানে যাবে কি না, তা স্থির হয়নি। এ বিষয়ে মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়ার বক্তব্য, কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ধরেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তা স্পষ্ট হলে তবেই নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের হবে। অন্যদিকে , শুক্রবার বেলায় সেখানে হাজির হয় কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদল। দলে ছিলেন কংগ্রেসের ছয় বিধায়ক। তাঁরা প্রত্যেক মৃতের পরিবারের কাছে যান। দলের তরফে প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আহতদের পরিবারপিছু ১০ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়।কংগ্রেসের তরফে বিজেপি ও রাজ্যপালের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর এদিকে , মালদহের সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানার বিস্ফোরণস্থলে বিজেপি প্রতিনিধিদল যেতে বাধা দেওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে এলাকাটি দ্বিস্তরীয় বলয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ফলে সেই ব্যারিকেড পেরতে বাধা দিয়েছে পুলিশও। আর তাতেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ওখানে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তার কারণ, বিজেপি প্রতিনিধিরা গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথাবার্তা বলে আসল সত্যটা জানত, তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে এখন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃ্ত্বে ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেত্রী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরি। বিজেপি প্রতিনিধিরা কারও সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। পাড়ারই কয়েকজন যুবক তাঁদের ঘিরে ধরে জিজ্ঞেস করেন, এমন অসময়ে কেন এসেছেন তাঁরা? কার সঙ্গেই বা কথা বলবেন? কথা না বলতে পারলে আসল ঘটনা জানবেনই বা কীভাবে? এসব প্রশ্নে জর্জরিত করে বিজেপি প্রতিনিধিদলকে কার্যত এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি এনআইএ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

মালদার কালিয়াচকে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু ৫ জনের , ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের

কালিয়াচকের সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হল ৫ জনের। বিস্ফোরণের ঘটনায় ্পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। সুজাপুরের ঘটনার খবর শুনে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা স্থানীয় নেতা কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরি। ইতিমধ্যেই মৃ্তদের পরিবারকে দু লক্ষ এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন , বিস্ফোরণের ঘটনায় নবান্নে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রশাসনিক কর্তারা।গোটা ঘটনার উপরে নজর রাখা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার ক্ষতিপূরণের চেক পরিবারের হাতে তুলে দিতে মালদা যাচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ ভাটপাড়ায় খুন তৃণমূল কর্মী জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ মালদার কালিয়াচক থানা এলাকার স্কুলপাড়ায় এক প্লাস্টিক কারখানায় ক্রাশার বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন মারা যায়। আহতদের উদ্ধা্র করে ভরতি করা হয়েছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, ওই কারখানায় প্লাস্টিক, লোহা ও পেতল পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার জন্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ হত। স্থানীয় সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে যে, কারখানার ভিতরে কোনও যন্ত্র বিকল হওয়ার ফলেই বিস্ফোরণ ঘটে। ওই প্লাস্টিক কারখানায় ৫০ জন শ্রমিক কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ওই কারখানার মালিক।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

আমফানের  ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্রের

আমফান ঝড়ের জেরে ্পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষতিপূরণ বাবদ আরও এক দফা সাহায্য ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে এক উচ্চস্তরীয় বৈঠক শেষে দুর্যোগ মোকাবিলায় মোট ৬ রাজ্যকে সাহায্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। এর মধ্যেই বাংলাই সবচেয়ে বড় অঙ্কের সাহায্য পাচ্ছে। প্রায় ২ হাজার ৭০৭ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে এই রাজ্যের জন্য। ওড়িশাকে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ১২৮ কোটি টাকা। এছাড়া সাইক্লোন নিসর্গের হানায় ক্ষতিগ্রস্ত মহারাষ্ট্রকে প্রায় ২৬৮ কোটি, বন্যা মোকাবিলায় কর্ণাটককে প্রায় ৫৭৭ কোটি, মধ্যপ্রদেশকে প্রায় ৬১১ কোটি এবং সিকিমকে প্রায় ৮৭ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করায় আক্রান্ত পুলিশ , ধৃত ৫ প্রসঙ্গত , গত মে মাসের ২০ তারিখ আমফান নামক এক বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল বাংলার বিভিন্ন এলাকা। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, মেদিনীপুর-সহ বেশ কয়েকটি জেলা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের কাছে সাহায্যের আরজি জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোাধ্যায়। মমতার আরজিতে রাজ্যে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি হেলিকপ্টারে চেপে বিভিন্ন এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখেন। তখন প্রাথমিকভাবে ১ হাজার কোটির প্যাকেজ ঘোষণা করেন মোদি। কিন্তু রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল , যা ক্ষতি হয়েছে , সেই তুলনায় ১ হাজার কোটি টাকা অর্থ কিছুই নয়। কারণ, আমফানে রাজ্যে ক্ষতির পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। অন্যদিকে , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১ হাজার কোটি টাকা রাজ্যকে আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ দেওয়ার ্পর সেই টাকা নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ , যারা আমফানের জেরে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত , তারা কোনও ্টাকা পায়নি। তৃণমূলের একাংশের নেতা-কর্মীরা সেই টাকা পেয়েছেন।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

 নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ রাজ্য সরকারের

নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানাল রাজ্য সরকার । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমতিক্রমে বুধবার রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত , দশমীর বিকেলে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার হাজরা বাড়ির দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ডুমনি নদীতে। এলাকার আরো কয়েকটি দুর্গা প্রতিমাও সেইসময় ছিল নদীতে। আরও পড়ুন ঃ পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন নদীতে চলছিল শোভাযাত্রা। সেই সময় হঠাৎ করে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে উলটে যায় প্রতিমা ও যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা। একই সঙ্গে পাশের নৌকাটিও উলটে যায়। তাতে থাকা যাত্রীরা সাঁতরে পাড়ে ওঠার চেষ্টা করেন। বেশ কয়েকজন উঠেও পড়েন। সন্ধের পর বোঝা যায় যে ওই নৌকায় থাকা বেশ কয়েকজন নিখোঁজ। এরপরই খোঁজাখুঁজি শুরু হয় নদীতে। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। রাতে উদ্ধার হয় হাজরা পরিবারের ২ সদস্য-সহ ৫ জনের দেহ।

অক্টোবর ২৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

নির্বাচনের টিকিট পেতেই প্রাণভয়ের আশঙ্কা! বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন আইপিএসের

একসময়ের দুঁদে পুলিশ কর্তা, এখন তৃণমূলের প্রার্থী। সেই হুমায়ুন কবীর এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়ছেন ডোমকল কেন্দ্র থেকে। কিন্তু টিকিট পাওয়ার পরই তিনি প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, জেলার একাধিক অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তাঁকে এখন হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদে পৌঁছে তিনি নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন। তাঁর কথায়, পুলিশে চাকরি করার সময় তিনি একাধিক খুনের চক্র ভেঙেছিলেন। সেই সব অপরাধ চক্রের মাথারা এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং তাঁকে লক্ষ্য করে হুমকি দিচ্ছে। এই কারণেই তাঁর জীবনের উপর ঝুঁকি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।হুমায়ুন কবীর দীর্ঘদিন মুর্শিদাবাদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কান্দিতে দায়িত্বে ছিলেন এবং পরে জেলা পুলিশ সুপার হিসেবেও কাজ করেছেন। ফলে এই জেলার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি ভালোভাবেই জানেন। কোথায় কোন অপরাধ চক্র সক্রিয়, কারা এর সঙ্গে জড়িত, সেই সব বিষয় তাঁর জানা।তিনি বলেন, দলের নেতৃত্ব তাঁকে এমন একটি জায়গায় প্রার্থী করেছে, যা তাঁর খুব পরিচিত। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কর্মীদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন।ডোমকল এলাকা বরাবরই স্পর্শকাতর হিসেবে পরিচিত। অতীতে এই এলাকায় নির্বাচন ঘিরে হিংসার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। আগের নির্বাচনে এখানেই সবচেয়ে বেশি হিংসার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা যায়। তবে তিনি দাবি করেন, যখন তিনি পুলিশ সুপার ছিলেন, তখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে ছিল।এই অবস্থায় এবার নির্বাচনের আগে তাঁর প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে ডোমকলের পরিস্থিতি নিয়ে এখন বাড়ছে নজর।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

একসঙ্গে দু’টি আসনে লড়াই! হুমায়ুন কবীরের বড় চমক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক দল তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে। সেই তালিকায় এবার নাম যোগ করল হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন। প্রথম দফায় মোট একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ এবং মালদহ জেলার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে হুমায়ুন কবীরের নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে। তিনি এবার ভরতপুর কেন্দ্র থেকে লড়বেন না। পরিবর্তে তিনি দুটি আসন থেকে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একটি রেজিনগর এবং অন্যটি নওদা। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, তিনি কাকে হারাতে চাইছেন, না কি নিজের জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতেই এই কৌশল নিচ্ছেন।সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁদের দল একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে। বাকি প্রার্থীদের তালিকা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। কিছু আসনে অন্য দলের সঙ্গে সমঝোতার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে প্রার্থী তালিকায় একাধিক নতুন নামও রয়েছে। বিভিন্ন জেলার একাধিক আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। কান্দি, বেলডাঙা, রতুয়া, মালতীপুর, বৈষ্ণবনগর, মানিকচক, সুজাপুর, ফরাক্কা, হরিহরপাড়া-সহ একাধিক কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে এই দল। ভরতপুরেও নতুন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে নতুন এই দল কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে হুমায়ুন কবীরের দুটি আসনে লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

‘সময় নষ্টের চেষ্টা’! আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে তীব্র তর্কে জড়াল রাজ্য ও কেন্দ্র

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে আবারও সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য সরকার। বুধবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী কপিল সিব্বল আরও সময়ের আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁরা নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চান।এই আবেদনের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলেন, এটি সময় নষ্ট করার চেষ্টা। তিনি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং এতদিন পরেও সময় চাওয়া অস্বাভাবিক। বিচারপতিরাও মনে করিয়ে দেন, এর আগেই রাজ্যকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের আইনজীবীরা বলেন, তাঁরা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে আদালত স্পষ্ট জানায়, বারবার সময় চাওয়া ঠিক নয়।এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে রাজ্য। রাজ্যের দাবি, এই সংস্থা সরাসরি এই ধরনের মামলা করতে পারে না। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, এই অধিকার শুধুমাত্র ব্যক্তি বা কোনও বৈধ সংস্থার থাকতে পারে। তাই এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অন্যদিকে, আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, তল্লাশির সময় সংঘর্ষ এড়াতেই তাদের কাজ থামাতে হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, তল্লাশির সময় বাইরের লোকজন ঢুকে পড়ায় তদন্তে সমস্যা তৈরি হয়।বিচারপতি পর্যবেক্ষণে বলেন, কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এইভাবে তদন্ত চলাকালীন ঢুকে পড়া মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ভবিষ্যতে অন্যরাও একই কাজ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল, ওই ঘটনার সমস্ত ভিডিও এবং প্রমাণ সংরক্ষণ করতে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্যও সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের সময় চাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত হয় কলকাতায় একটি সংস্থার কর্তার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি নিয়ে। সেই তল্লাশিকে ঘিরেই এই আইনি লড়াই শুরু হয়। কেন্দ্রের অভিযোগ, তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের দাবি, নির্বাচনের আগে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতেই এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর সবার।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ঝাঁকুনি! একসঙ্গে ১১ জেলাশাসক বদলি, চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বুধবার সকালে প্রথমে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১১টি জেলার জেলাশাসক বদলের নির্দেশ জারি করে কমিশন।যে জেলাগুলিতে এই বদল করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এই সব জেলার জেলাশাসকেরা একই সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবেও কাজ করছিলেন।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে বিভিন্ন জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার কমিশনার এবং দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিককেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁদের ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতদিন না নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে।এই বড় রদবদলের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও ডাকা হয়েছে। সেখানে শীর্ষ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এত বড় প্রশাসনিক পরিবর্তনে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে, তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চাঞ্চল্য! বীরভূমে ট্রাক্টর ভরা বিস্ফোরক উদ্ধার

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই রাজ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। এর মধ্যেই বীরভূমে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নলহাটি থানার কাদাসির গ্রামে গ্রামবাসীরাই একটি সন্দেহজনক ট্রাক্টর আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ট্রাক্টর থেকে প্রায় দশ হাজার জিলেটিন স্টিক এবং তিনশো ষাটটি ডিটোনেটর উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার রাতে গ্রামের রাস্তা দিয়ে একটি ট্রাক্টর যাচ্ছিল। সেটি দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। এরপর তাঁরা ট্রাক্টরটি আটকালে চালক পালিয়ে যায়। পরে দেখা যায়, ট্রাক্টরটি বিস্ফোরকে ভর্তি।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নলহাটি থানার পুলিশ ট্রাক্টর এবং বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে। কে বা কারা এই বিস্ফোরক কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হোক এবং এর পিছনে কারা রয়েছে, তা দ্রুত সামনে আনা হোক।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

কল্যাণের পর এবার ছেলে! উত্তরপাড়ায় ভোটের লড়াইয়ে মীনাক্ষীর বিপরীতে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে

বাবা একজন নামজাদা আইনজীবী এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। দীর্ঘদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনীতির ময়দানে লড়াই করে আসছেন। এবার সেই পথেই পা রাখলেন তাঁর ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।শীর্ষণ্য পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি সরকারের পক্ষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা লড়েছেন। বিভিন্ন বড় আইনি লড়াইয়ে তিনি অংশ নিয়েছেন। কলেজে নির্বাচন বন্ধ হওয়া নিয়ে হওয়া মামলাতেও তিনি আদালতে লড়েছিলেন। এছাড়াও একশো দিনের কাজ এবং নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন।এবার সেই আইনজীবীই সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন। উত্তরপাড়ায় তাঁর প্রতিপক্ষ সিপিএমের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই এবার বেশ জমজমাট হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।শীর্ষণ্য জানিয়েছেন, রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নতুন নয়। বহু বছর আগে থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রজীবনে তিনি কলেজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন এবং সেই সময় থেকেই রাজনীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালের পর রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তাঁর লড়াই মূলত আদালতকেন্দ্রিক হয়ে যায়। তবে এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে নামতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।শীর্ষণ্য জানান, তাঁকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞ। এর আগে তিনি দলের অন্য প্রার্থীর হয়ে ভোট চেয়েছেন, কিন্তু এবার প্রথমবার নিজের জন্য মানুষের কাছে সমর্থন চাইবেন। উত্তরপাড়ার মানুষের আশীর্বাদই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

শুক্রবার না শনিবার? অবশেষে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে বড় আপডেট

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে। কিন্তু রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ ভোটার এখনও জানেন না, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। তাঁদের নাম এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় ঝুলে রয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সব নাম খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করছেন।এখনও পর্যন্ত প্রায় একুশ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ হতে পারে। তাঁর কথায়, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা খুব শীঘ্রই নিষ্পত্তি হওয়া নামগুলি কমিশনের হাতে তুলে দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, শুক্রবার বা শনিবার এই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বাকি প্রায় উনচল্লিশ লক্ষ ভোটারকে নিয়ে। ভোটের আগে এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট হবে তেইশ ও উনত্রিশ এপ্রিল।এছাড়াও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টির দায় হাইকোর্টের উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা থাকলেও কমিশন কীভাবে আদালতের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, তা স্পষ্ট নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন এবং সেই প্রক্রিয়ার জন্য কত সময় দেওয়া হবে, সে বিষয়েও কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না বলেই দাবি তাঁর।এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। ভোটের আগে এত বড় সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় উদ্বেগও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে ২৩ তলা থেকে ঝাঁপ! গুরগাঁওয়ের ঘটনায় শিউরে উঠছে দেশবাসী

গুরগাঁওয়ে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি তাঁর দুই বছরের কন্যাকে নিয়ে বহুতলের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।মৃত ব্যক্তির নাম রাহুল। তাঁর বয়স আটত্রিশ বছর। তিনি দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন এবং পরিবার নিয়ে গুরগাঁওয়ের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে একটি আবাসনের ভিতরে এই ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, রাহুল তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে একটি ছোট স্কুল চালাতেন, যেখানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হতো। কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন এবং চিকিৎসাও চলছিল।পুলিশের এক আধিকারিক জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে মানসিক অবসাদ থেকেই তিনি এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। যদিও ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।জানা গিয়েছে, তিনি যে টাওয়ারে থাকতেন, সেখান থেকে নয়, অন্য একটি টাওয়ারের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় এবং পরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন। অনেকেই উচ্চ ভবনে বসবাসকারী পরিবারগুলির মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal